- প্রযুক্তির কথা বলে

Showing posts with label AU. Show all posts
Showing posts with label AU. Show all posts

October 19, 2016

মধ্যম বাজেটের ফোন ক্রেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে oppo f1s

অপ্পো f1,f1+ এর পরে দেশের বাজারে  এসেছে অপ্পোর আরো একটি স্মার্টফোন oppo f1s গত অগাস্ট মাস থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে ফোন টি l .ডিজাইন,ক্যামেরা এবং অন্যান্য ফিচার মিলিয়ে এটিকে একটি ভালো এবং বাজেট বান্ধব স্মার্টফোনই বলা চলে।বর্তমানে oppo এর যে কয়টি ফোন বাজারে রয়েছে তার মধ্যে oppo a37 এবং F1s এই দুইটি মডেল নিয়েই oppo ফ্যানদের  আগ্রহ তুলনামূলক বেশি l ভালো বিল্ড কোয়ালিটি ,সুন্দর ডিজাইন এবং oppo এর কাস্টম ui color os এর বিশেষ কিছু ফীচার ,এবং কামেরার মান সবকিছু মিলিয়ে oppo বিশ্ব বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে l 


চলুন দেখে নেই এর শর্ট রিভিউ:
                             
ডিসপ্লে:৫.৫ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে ডিভাইসটিতে যার সুরক্ষায় রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৪।ফলে ডিসপ্লে তে সহজে কোনো দাগ পড়বে না।৭২০x১২৮০ রেজুলেশনের ডিসপ্লের পিক্সেল ডেনসিটি হচ্ছে ২৬৭ পিপিআই।
                               
ডিজাইন:এটি একটি মেটাল বিল্ড স্মার্টফোন যার পিছনের অংশ আইফোনের মত করে ডিজাইন করা হয়েছে।
                               
সিম ও নেটওয়ার্ক:ডিভাইসটিতে সিঙ্গেল অথবা মেমোরি কার্ডের বদলে ডুয়েল সিম ব্যবহার করা যাবে।উভয় সিম স্লটই টুজি,থ্রিজি,ফোরজি সাপোর্টেড।
                                 
ব্যাটারি: ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ৩০৭৫ mah লিথিয়াম পলিমার নন-রিমুভাল ব্যাটারি।
                                 
মেমোরি:ডিভাইসটিতে রয়েছে ৩ জিবি ram এবং ৩২ জিবি অভ্যন্তরীণ মেমোরি।যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
                                 
প্রসেসর,চিপসেট,জিপিউ:ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে mediatech MT6750 চিপসেট।এছাড়া রয়েছে cotex-A53 1.5 GHZ অক্টাকোর প্রসেসর এবংMALI-T860 mp2 জিপিউ।এছাড়া ডিভাইসটিতে ইউআই হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে COLOUR OS 3.0 যা এসবের সমন্বয়ে ডিভাইসটিকে চমৎকার পারফরমেন্স প্রদান করবে।
                             
ক্যামেরা:এবার আসি এটির ক্যামেরার কথায়।অপ্পো সবসময়ই ফ্রন্ট ক্যামেরার মেগাপিক্সেল বেশি দিয়ে থাকে।এবারো তার ব্যতিক্রম নয়।ফ্রন্ট ক্যামেরা হচ্ছে ১৬ মেগাপিক্সেল এবং মূল ক্যামেরা হচ্ছে ১৩ মেগাপিক্সেল।যাতে রয়েছে টাচ ফোকাস,ফেস ডিটেকসন,প্যানোরমা,এইডিআরের মত বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ফিচার।ফ্রন্ট ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে aperture f/2.0 এবং মূল ক্যামেরায় রয়েছে aperture f/2.2।ফ্রন্ট ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল হওয়ায় ভালো মানের সেলফি তোলা যাবে।
ওএস:ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিলপ।ইউজার ইন্টারফেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Colour Os 3.0.
                             
সেন্সর:ডিভাইটির সিকিউরিটির জন্য রয়েছে ফ্রন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।এছাড়া আরো বেশ কিছু প্রয়োজনীয় সেন্সর রয়েছে যেমন: accelerometer, proximity, compass।
                           
কানেক্টিভিটি:ডিভাইসটি মাইক্রোইউএসবি ২.০ সাপোর্টেড।এছাড়া রয়েছে ইউএসবি অন দ্যা গো বা ওটিজি যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজে তাদের মোবাইলের সাথে মাউস,কিবোর্ড,পেনড্রাইভ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারবেন।
                       
কালার:গোল্ড,রোজ গোল্ড এবং গ্রে এই তিনটি কালারে এটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

দেশের বাজারে এটির দাম পড়বে ২৩৯০০ টাকা

 - swadhin



Post Categories:

 oppo f1s price bd

 phone Review 



                       
                           

August 26, 2016

নতুন মিড রেঞ্জ ফোন Oppo A37 নিয়ে কিছু কথা

কিছুদিন হল বাজারে এসেছে অপ্পোর নতুন স্মার্টফোন oppo a37 । সুন্দর ডিজাইন, ভাল মানের ইউজার ইন্টারফেস ,ক্যামেরা ইত্যাদির বিবেচনায় লোয়ার মিডরেন্জের স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে বর্তমানে এটিকে অন্যতম সেরা বলা চলে।ফনেটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে ANDROID 5.1 lolipop এবং colour os ৩.০ ।এছাড়া রয়েছে 8 mp rear এবং 5 mp front camera। চলুন এক নজরে দেখে নেই oppo a 37 এর full  specifications:

ডিজাইন: এটি একটি fully metal build smartphone.যা দেখতে অনেকটা আইফোনের মত।

 নেটওয়ার্ক:  উভয় সিমেই টুজি,থ্রিজি এবং ফোরজি সাপোর্ট করবে আর সিম স্লট হিব্রিড নয় তাই ২ সিম আর মেমোরি কার্ড একি সাথে চালাতে পারবেন ।

ব্যাটারি :  ২৬৩০ mah  non-removal ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে ডিভাইসটিতে ।হেভি ইউজে ৬-৭ ঘন্টা ব্যাকাপ পাবেন ইউজাররা।এছাড়া মডারেট ইউজে এক থেকে দেড় দিন পর্যন্ত ব্যাকাপ পেতে পারেন

 ওজন:  ডিভাইসটি খুবই হালকা।মাত্র ১৩৬ গ্রাম..

ক্যামেরা: মূল ক্যামেরা হচ্ছে ৮ মেগাপিক্সেল।যাতে রয়েছে অটোফোকাস,f/2.0 aperture.face detection,HDR,panorama mode,1/3.2 sensor size,1.4 jum pixel size.ফ্রন্ট ক্যামেরা হল ৫ মেগাপিক্সেলের।যাতে রয়েছে f/2.4 aperture,1/4 sensor size.ফলে ভালো মানের সেলফি তোলা যাবে।


 প্রোসেসর,Ram ,জিপিউ :  ডিভাইসটিতে রয়েছে ১.২ গিগাহার্জ কোয়াডকোর প্রসেসর এবং ২:জিবি ram.সাথে রয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪১০ চিপসেট।ফলে ডিভাসটির পারফরমেন্স নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।
সঙ্গে Adreno 306 জিপিউ থাকায় গেমিং পারফরমেন্স হবে আরো দারুন। ডিসপ্লে:৫.০ ইন্ঞি আইপিএস ডিসপ্লের সাথে রয়েছে Corning gorila glass 4 protection.যার পিক্সেল ডেনসিটি ২৯৪ পিপিআই।

 রম:  ডিভাইসটির অভ্যন্তরীণ মেমোরি ১৬ জিবি যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্তু বাড়ানো যাবে।

ওএস এবং ইউয়াই: ডিভাইসটিতে অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ ব্যবহার করা হয়েছে।তবে এটি স্টক ইউআই নয়।ইউয়াই হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে colour os 3.0।
 সেন্সর:ডিভাইসটিতে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় সেন্সর রয়েছে।যেমন:accelerometer,proximity,compass sensor
Colour ui: Colour ui 3.0 হচ্ছে oppo এর নিজস্ব ইউজার ইন্টারফেস।যেমন:samsung এর touchwiz বা xiomi এর MIUI.তবে colour os বর্তামানে প্রচলিত যেকোনো UI এর চেয়ে অধিক গতিসম্পন্ন। এতে রয়েছে স্ক্রীন অফ রেখে ভিডিও শুট করার সুবিধা ,  gesture ব্যাবহার করে যে কোন এপ্স ওপেন করার সুবিধা, ভয়েজ এর মাধ্যমে টাইপিং সুবিধাও আপনার ভাল লাগবে ।

  দুর্বলতা:তেমন কোনো দুর্বলতা চোখে পড়ে নি।তবে android verson মার্শম্যালো দিলে ভালো হত।প্রসেসর    ১.৫ ghzদিলে আরো ভালো পারফরমেন্স পাওয়া যেত।কিন্তু দাম অনুযায়ী মানানসই।

মূল্য: দেশের বাজারে এটির দাম পড়বে ১৬৯০০ টাকা।

লিখেছেন ঃ স্বাধীন 

August 21, 2016

P6 থেকে তিন গুন বেশি প্রসেসিং স্পীডের symphony P6 pro

সিম্ফনি পি৬ হ্যান্ডসেটটির জনপ্রিয়তার হাত ধরে এবার কোম্পানিটি বাজারে নিয়ে এলো থ্রি জিবি র্যাম এর পি৬ এর প্রো (প্রফেশনাল) ভার্সন। আসুন দেখে নেয়া যাক এই স্মার্টফোন টির বিশেষ বিশেষ ফিচারগুলো।
সিম্ফনি পি৬ হ্যান্ডসেটটির জনপ্রিয়তার হাত ধরে এবার কোম্পানিটি বাজারে নিয়ে এলো থ্রি জিবি র্যাম এর পি৬ এর প্রো (প্রফেশনাল) ভার্সন। আসুন দেখে নেয়া যাক এই স্মার্টফোন টির বিশেষ বিশেষ ফিচারগুলো।
ডিসপ্লেঃ
প্রথমেই শুরু করা যাক P6 Pro এর ডিসপ্লে দিয়ে এর ৫.৫” এইচডি ডিসপ্লে যথেষ্ট শার্প তবে। ফূল এইচডি  থেকে এর ডিসপ্লে শার্পনেস অনেক ভালো। এর IPS ডিসপ্লে যে শুধুই উজ্জ্বল তাই নয় এর কালার স্যাচুরাশন ও মুগ্ধ করবার মতন । এর বিল্ড ও বেশ প্রশংসনীয় । এত বড় স্ক্রীন এর ফোন হওয়া সত্তেও এর স্ক্রীন টু বডি রেশিও এর কারনে ফোন টি কে খুব সহজেই হাতে ধরা যায় ।
ব্যাটারিঃ
স্মার্টফোন টিতে ২৫০০ mAh এর রিমুভাল ব্যাটারি আছে যদিও ব্যাটারি আরও বেশি হলে ফোনটি আরও অসাধারন হয়ে উঠতে পারত । তবে তা সত্ত্বেও ফোনটি তে ৪৫০ ঘণ্টা স্ট্যান্ড বাই আর ৮.৫ ঘণ্টা ৩জি তে টক টাইম এর কথা ওয়েবসাইট এ উল্লেখ করা আছে।
প্রসেসরঃ
ফোনটিতে আছে 1.3 Ghz কোয়াড কোর 64bit প্রসেসর যা গেমিং , হাই লেভেল অ্যাপ্লিকেশান এর জন্য খুবই চমৎকার । আর তার সাথে রয়েছে রয়েছে ৩জিবি র্যাম, যা অনেক ইন্টেন্সিভ গেম কিংবা অ্যাপ্লিকেশান এর জন্যে পর্যাপ্ত।
পারফর্মেন্সঃ
৩জিবি র্যাম হওয়াতে ইউজার ফোনটি তে একসাথে চালাতে পারবে অনেক গুলো এ্যাপস। যারা সাধারণত হেভি মাল্টিটাস্কিং করেন – তাদের জন্যে P6 Pro 3GB একটি আদর্শ ফোন হতে পারে। এর Mali T720 GPU ও প্রশংসা করবার মতন।
ক্যামেরাঃ
এবারে ফোনেটির ক্যামেরায় আসা যাক – রিয়ার ক্যামেরা হিসেবে P6 Pro 3GB তে 13MP ক্যামেরা ব্যাবহার করা হয়েছে যা বাইরের আলোতে চমৎকার ছবি তুলতে পারে তবে আলো কিছুটা কমে গেলে ছবিতে কিছুটা Noise ধরা পরে।  এর 5MP ফ্রন্ট ক্যামেরা সেলফি কিংবা ভিডিও কল করবার জন্যে খারাপ নয়।
স্টোরেজঃ

ইন্টারনাল স্টোরেজ ১৬ জিবি মাল্টি মিডিয়া ফাইলস এর জন্যে পর্যাপ্ত । ৩২ জিবি এক্সটারনাল এর মাধ্যমে বাড়াতে পারবেন আপনার স্টোরেজ ক্ষমতা।
বিশেষ ফিচারঃ
স্মার্ট রিমোট কন্ট্রোল P6 থেকে আরও ভাল পারফরম্যান্স মনে হয়েছে, এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে পারবেন এসি, টিভি কিনবা প্রোজেক্টর  ইত্যাদি। তবে এর Zaza remote Software টি আরও ভাল হতে পারত। মজার ব্যাপার রিমোট টি তে রিমোট কপি করার অপশন রয়েছে । রিমোট কপি করে ব্যাবহার করতে পারবেন আপনার কম্প্যাটিবল ডিভাইসে। যা একটি অসাধারন অপশন।

অন্যান্যঃ
আমার কাছে সিম্ফনি মোবাইল এর কিছু জিনিষ সব সময়ে প্রশংসনীয় P6 Pro 3GB ও তার ব্যাতিক্রম নয়। এর ডিভাইস এর সাথে দেয়া হচ্ছে প্লাসটিক ব্যাক কভার কিংবা একটি স্ক্রীন প্রটেক্টর যা অনেক কোম্পানির ফোনেই দেখা যায় না; আর তার সাথে এয়ারফোন ডাটা ক্যাবল চার্জার তো থাকছেই। P6 Pro 3GB এর Android version 5.1 ললিপপ আমার কাছে মনে হয়েছে এর একটি নেগেটিভ দিক । তবে আশার কথা এই যে এই হ্যান্ডসেটটিতে OTA সুবিধা থাকার কারণে হয়তোবা আমরা খুব দ্রুতই এই হ্যান্ডসেটটিতে ওএস আপডেট পেতে পারি। এতো সব অত্যাধুনিক ফিচার থাকা সত্ত্বেও এই হ্যান্ডসেটটির দাম রাখা হচ্ছে মাত্র ১০,৪৯০ টাকা মাত্র। যা এই স্মার্টফোন টির বেস্ট সেলিং পয়েন্ট। 

August 01, 2016

Moto G4, ধারে কাছেও নেই মধ্যম বাজেটের অন্য ফোন।


কম দামের সেরা ফোনের প্রসঙ্গে আসলে মটোরোলাকে টপকানো খুব কঠিন বিষয়। আবারো তার প্রমাণ রাখলো এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। তাদের চতুর্থ প্রজন্মের মটো জি সিরিজের জি৪ মডেলটি বিশেষজ্ঞের দৃষ্টি কম বাজেটের সেরা ফোন হতে পারে বাজারের।

৫.৫ ইঞ্চির বড় পর্দাটি ফুল এইচডি। এর অক্টা-কোর প্রসেসরটি দ্রুত গতির। কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এমএসএম৮৯৫২ প্রসেসরে গতি দেবে ২ জিবি র‌্যাম। অভ্যন্তরে ১৬ ও ৩২ জিবি স্টোরেজের সংস্করণ রয়েছে। এ ছাড়া মাইক্রোএসডি স্লটের মাধ্যমে ১২৮ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে মেমোরি। পেছনে থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আর সামনে থাকছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। শক্তিশালী ৩০০০এমএএইচ ব্যাটারি ফোনটিকে জীবিত রাখবে বহু সময়।

১৬ জিবির মটো জি৪-এর দাম মাত্র ১৬৯ পাউন্ড। বর্তমানে মনোরোলাকে কিনে নিয়েছে লেনোভো। আমেরিকার বাজারে দাম পড়বে ৩০০ ডলার।   

ফোনটি পানিরোধী। কাজেই পানি পড়লে বা ফোনটি পানিতে পড়ে গেলে নষ্ট বা বন্ধ হবে না। বিশেষজ্ঞদের লুপিং ভিডিও ব্যাটারি রানডাউন পরীক্ষায় ১৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট চালু ছিল জি৪।

অ্যান্ড্রয়েড ৬.১ মার্শমেলোতে চলবে ফোনটি। জি৪-এর সফটওয়্যারে একেবারে জাঙ্ক নেই বললেই চলে। একই ধরনের অন্যান্য ফোনে ব্যাপক জাঙ্ক দেখা যায়। তবে হোম স্ক্রিনে সোয়াপ করতে থাকলে কিছুটা আটকে যাচ্ছে বুঝতে পারবেন।

ক্যামেরাটি বেশ ভালো। ছবি তুললে মনে হবে আরো ভালোর প্রয়োজন নেই। প্রায় প্রতিটি ছবি বেশ উজ্জ্বল ও ঝকঝকে হয়ে ওঠে। এর এইচডিআর মোড বিকালে কম আলোতে ছবি তুলতে বেশ কাজ দেয়। কালার আসলে ভিভিড এবং নেচারাল হোয়াইট ব্যালেন্স রয়েছে। সামনের ক্যামেরাটি ওয়াইড অ্যাঙ্গেল। কাজেই সেলফি তুলতে অনেক দূর হাত নিতে হবে না। ছবিও ওঠে বেশ ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কিনতে যে বাজেট করতে হবে সে বাজেটে এর চেয়ে ভালো ফোন আর হতে পারে না। এমনকি একই দামের মধ্যে অন্যান্য ফোন মটো জি৪-এর ধারেকাছেও নেই। প্রতিদিনের স্মার্টফোনের ব্যবহার অনায়াসে সুখকর করতে পারে এই ফোনটি। সূত্র : সি নেট

July 27, 2016

১০ হাজার টাকা দামের মধ্যে থাকা স্মার্টফোনসমূহ

যারা ১০,০০০ টাকা বাজেটের মধ্যে  জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর কিংবা আকর্ষণীয় ডিজাইন ও ইউজার ইন্টারফেসের লুমিয়া স্মার্টফোন কিনতে চান, তারা নিচের স্মার্টফোনগুলোর যেকোন একটি বেছে নিতে পারেন,!

Walton Primo E4 – ৫,৪৯০ টাকা

Walton Primo E4+ – ৫,৯৯০ টাকা

Walton Primo F6 – ৫,৯৯০ টাকা

Lava 510 - ৫,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer W70Q - ৫,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer V40 - ৫,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer V50 - ৬,০৯০ টাকা

Walton Primo F5 – ৬,২৯০ টাকা

Microsoft Lumia 430 – ৬,৩০০ টাকা

Walton Primo EF3 – ৬,৩৯০ টাকা

Symphony Xplorer V60 - ৬,৪৯০ টাকা

Symphony M1 - ৭,২৯০ টাকা

Walton Primo GF2 – ৭,২৯০ টাকা

Walton Primo GF3 - ৭,৩৯০ টাকা

Goldberg Discovery ZL1 – ৭,৪৯৯ টাকা

Walton Primo GM Mini - ৭,৮৯০ টাকা

Okapia Style – ৭,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer V80 – ৭,৯৯০ টাকা

Microsoft Lumia 435 – ৭,৯৯৯ টাকা

Walton Primo HM Mini - ৮,৪৯০ টাকা

Walton Primo GH2 - ৮,৪৯০ টাকা

Symphony Roar A50 ৮,৭০০ টাকা

Walton Primo GM - ৮,৭৯০ টাকা

Oppo Joy Plus - ৮,৯০০ টাকা

Okapia Xcite - ৮,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer H55 - ৯,০৯০ টাকা

Microsoft Lumia 532 – ৯,৪৯৯ টাকা

Walton Primo GH3- ৯,৯৯০ টাকা

Walton Primo RH2 - ৯,৯৯০ টাকা

Symphony Xplorer P6 - ৯,৯৯০ টাকা

Micromax Canvas A1 – ৯,৯৯৯ টাকা

May 23, 2016

আসছে সনির নতুন মোবাইল Xperia XA Ultra

মিড রেঞ্জ বাজেটের নতুন একটি মোবাইলের ঘোষণা করলো বিখ্যাত মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Sony.
তাদের নতুন এই ডিভাইসটির নাম Xperia XA Ultra. এই ডিভাইসটিতে রয়েছে ২১ মেগাপিক্সেল রিয়্যার ক্যামেরা এবং ১৬ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা!!!!!!! আর সাথে রয়েছে ৬" বিশাল স্ক্রিন ৩ জিবি র্যাম আরো কত কি রয়েছে ডিভাইসটিতে। চলুন এক নজরে দেখে নেই Xperia XA Ultra এর
স্পেসিফিকেশন:


Display: 6" Full HD Screen with Scratch resistant
technology.
OS: Android Marshmallow 6.0.1
Ram: 3 GB
Rom: 16 GB
Chipset: Mediatek MT6755 Helio P10
CPU: Octa-core 2.0 GHz Cortex-A53
GPU: Mali-T860MP2
Camera: 21.5 MP Rear Camera

front Camera: 16 MP, 1/2.6" sensor size,
autofocus, OIS, LED flash, 1080p

Battery: 2700 mAh non removable battery.

দাম: ২৫-২৮ হাজারের মধ্যেই দাম
থাকবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

posted By -jakir emran

May 05, 2016

বাংলাদেশের বাজারে এসেছে LG এর বাকানো ডিসপ্লে যুক্ত ফোন K10

বেশ কম দামেই বাজারে এসেছে LG এর নতুন ফোন K10.. বিশ্বস্ত ও উচ্চ বিল্ড কোয়ালিটির জন্য 

সুপরিচিত LG . চলুন দেখে নেই স্পেশাল কি কি রয়েছে এই ফোনটিতেঃ

* নেটওয়ার্ক :৩জি ,৪ জি
* পাওয়ার ফুল Li-ion ব্যাটারি 2300 mah *পিছনের ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেল HD ক্যামেরা। * ৫.৩ ইঞ্চি HD আইপিএস ডিসপ্লে। * ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে আছে ৩য় প্রজন্মের গরিলা গ্লাস। *১.১৪ গিগাহার্জ এর পাওয়ারফুল অক্টা-কোর cortex ৫৩ প্রসেসর. *১.৫ জিবি Ram, ১৬ জিবি Rom. * ডুয়াল সিম অপসন রয়েছে এতে এবং দুইটাই ন্যানো সিম। *Android ভার্সন মার্শমেলো v6.1 * চিপসেট হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক - ৬৭৫৩ * জিপিইউ হিসাবে রয়েছে Mali T720MP3 যা অত্যন্ত পাওয়ারফুল। *এতে আরো থাকছে →GPS →NFC *এছাড়াও রয়েছে আরও বেশ ভালো কিছু ফীচার মুল্য : ১৫০০০ টাকা



Written By : সাব্বির হাসান মুন্না

March 18, 2015

কমদামে HTC এর নতুন দুইটি চমক! (htc desire 620g & desire 626 at a very cheap rate)

চাইনিজ ফোনের দামেই বাজারে এসেছে HTC এর নতুন দুইটি ফোন HTC DESIRE 620g.  বিশ্বস্ত ও উচ্চ বিল্ড কোয়ালিটির জন্য সুপরিচিত HTC এর এই  ফোনটিতে চমৎকারর সব ফিচার।

চলুন দেখে নেই স্পেশাল  কি কি ফিচার রয়েছে এই ফোনটিতেঃ

* ৩জি নেটওয়ার্ক
* পাওয়ার ফুল Li-polymar ব্যাটারি ২১০০mah
*পিছনের ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেল HD ক্যামেরা।
* ৫ ইঞ্চি HD ডিসপ্লে ( (~63.2% screen-to-body ratio)
*১.৭ গিগাহার্জ এর পাওয়ার ফুল অক্টা-কোর cortex A7 প্রসেসর
*১ জিবি Ram,  ৮ জিবি Rom,
* Duel SiM card supported,( ১ টি মাইক্রো সিম)
* কিটক্যাট ভার্সন ৪.৪.৪
* Mediatek MT6592। চিপসেট,
* Mali-450MP4 জিপিইউ
* ১০৮০ পিক্সেল ভিডিও সাপোর্টেড
*Java supported
*FM Radio
 এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক কিছু।  মূল্য 21০০০ টাকা।



HTC DESIRE 626. এই ফোনটিতেও রয়েছে আকর্ষণীয় সব ফিচার। চলুন ফিচার গুলো দেখে নেওয়া যাকঃ

* ৪জি নেটওয়ার্ক
* পাওয়ারফুল লি-আয়ন ২,০০০ এমএএইচ ব্যাটারী
* ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা আর
* ৫ মেগাপিক্সেলের ফুল এইচডি ফ্রন্ট ক্যামেরা
* ৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে
* ১.৭ গিগাহার্জের অক্টা-কোর প্রসেসর
* ২ গিগাবাইট RAM
* অপশনাল ডুয়াল সিম

মুল্য ১৯,৯০০ টাকা। এই দামের মধ্যে সবদিক বিবেচনায় এটিই বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারের সেরা স্মার্টফোন।


কেমন লেগেছে আপনাদের কাছে?

copyright@ sajeeb  এবং Determined showvik



March 05, 2015

স্মার্টফোনের আপডেটেড প্রাইজ (2015 march)

২০১৫ সালে ফোনের আপডেটেড প্রাইজ    :

Sony :
Xperia L - ১৪০০০ টাকা
Xperia M - ১৩০০০ টাকা
Xperia M Dual - ১৩৫০০ টাকা
Xperia E3 - ১৫০০০ টাকা
Xperia M2 - ১৭০০০ টাকা

Xperia M2 Aqua - ২১০০০ টাকা
Xperia T3 - ২৩০০০
Xperia Z - ২৩০০০ টাকা
Xperia Z Ultra - ২৪৫০০ টাকা
Xperia Z1 - ২৬০০০ টাকা
Xperia Z1 Compact - ২৫৫০০ টাকা
Xperia Z2 - ৩৩০০০ টাকা
Xperia Z3 - ৪৯০০০টাকা
Xperia Z3 compact - ৪২ হাজার টাকা

Samsung :

Samsung Ace NXT -৭৯০০ টাকা
Samsung S Dous 3 - ৯৯০০ টাকা
Samsung Core Prime - ১৩৯০০ টাকা
Samsung Core 2 -  ১২৯০০ টাকা
Samsung Galaxy J - ১১৯০০ টাকা
Samsung Grand 2 - ২৩০০০ টাকা
Samsung Grand Prime - ১৮৯০০ টাকা
Samsung S3 Neo - ২৩০০০ টাকা
Samsung A3 - ২৫০০০ টাকা
Samsung A5 - ২৯৯০০ টাকা
Samsung Galaxy s4 - ৩০০০০ টাকা

Samsung Note 3 Neo - ৩২০০০ টাকা
Samsung Note 3 - ৪০০০০ টাকা
Samsung Galaxy S5 - ৪৫০০০ টাকা
Samsung Galaxy Alpha - ৪৯৯০০ টাকা

HTC :

HTC Desire 520 - ১৪০০০ টাকা
HTC Desire 620 - ১৫৯৯০ টাকা
HTC Desire 616- ১৯০০০ টাকা
HTC Desire 816 - ২১০০০ টাকা
HTC Desire 820 - ২৭০০০ টাকা
HTC Desire Eye - ৩১৯৯০ টাকা
HTC One Mini 2 - ২৯৯০০ টাকা
HTC One E8 - ৩২০০০ টাকা
HTC One M8 - ৪০০০০ টাকা
HTC One Max - ৩৫০০০ টাকা

Asus :

Asus Zenfone 4 -১০০০০ টাকা
Asus Zenphone 5 - ১৩০০০ টাকা  (1 GB ram /8 GB internal Storage ) ১৫ হাজার টাকা (2GB Ram /16 GB internal )
Asus Zenphone 6 - ১৫০০০ টাকা

Xiaomi :

Xiaomi Redmi 1s - ১১০০০ টাকা
 Xiaomi Redmi 2 - ১২০০০ টাকা
Xiaomi Note 4G - ১৫০০০ টাকা
Xiaomi mi3w - ২৩০০০ টাকা
Xiaomi Mi4 -  ৩০০০০ টাকা (১৬ জিবি ) ৩২০০০ টাকা (৬৪ জিবি)
Xiaomi Mi Note -৪৫০০০ টাকা


Nexus:

Google Nexus 6 32GB (Midnight Blue) > 57,500TK
Google Nexus 6 64GB (Midnight Blue) > 75,000TK
Google Nexus 5 16GB (LG Made in Korea) > 27,500TK (Black & White)
Nexus 9 32GB LTE TK 46,500/-
Nexus 9 32GB Wifi Tk 40,500/- 
Nexus 9 16GB wifi Tk 35,500/-





[বি.দ্র : এইগুলা লোকাল মার্কেট প্রাইজ শো রুমের প্রাইজ আরো বেশি হতে পারে ] 

February 15, 2015

বাজারে এবার xiaomi নিয়ে এল ৪ GB Ram এর xiaomi MI note pro

বাজারে এই প্রথম ৪ জিবি র‍্যামের ফোন এল । Xiaomi ব্রান্ডের MI Note Pro  ফোনটিতেই সম্ভবত প্রথম ৪ জিবি র‍্যাম দেওয়া হয়েছে । Xiaomi উঠতি চাইনিজ কম্পানি গুলোর মধ্যে অন্যতম । একে অনেকে চায়নার Apple  ও বলে থাকে । এই বছর Xiaomi তাদের নতুন ২টি ফ্লাগশিপ রিলিজ করলো । MI Note এবং MI Note Pro । MI Note তেমন আহামরি না হলেও MI Note Pro সবার নজর কাঁড়তে সক্ষম কারন
এইটিই প্রথম Android ফোন বা ফ্যাবলেট যেটাতে ৪ জিবি র‍্যাম এবং কোয়ালকোমের সবচেয়ে পাওয়ারফুল চিপসেট Snapdragon 810 ব্যাবহার করা হয়েছে । এর আগেও ৪ জিবি র‍্যামের ডিভাইস গুগল এর মাধ্যমে HTC Nexus 9 বাজারে এসেছিল কিন্তু ওইটা ছিল ট্যাবলেট । আগে কখনো ৪ জিবি র‍্যাম আর স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ চিপসেটের আসেনি । ধারনা করা হয় Sony Xperia Z4 ও HTC One M9 এ এই ধরনের স্পেসিফিকেশন থাকবে । তাই সেদিক থেকে Xiaomi ; Sony এবং HTC থেকে এগিয়ে আছে ।

এক নজরে এর ফিচার সমূহ দেখে আসা যাক  ঃ



ক্যামেরা  ঃ Xiomi MI Note Pro তে ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা ব্যাবহার করা হয়েছে এবং ক্যামেরা সেন্সর হিসাবে সনির Exmor-Rs সেন্সর ব্যাবহার করা হয়েছে । এতে ফিলিপস এর ডুয়াল LED ফ্লাশ এবং অপ্টিক্যাল স্ট্যাব্লাইজার আছে ফলে যেকোন দ্রুতগামী বস্তুর ছবি কোন রকম সমস্যা ছাড়াই তুলা যাবে । এর ক্যামেরা আপেচার সাইজ F/2.0 তাই লো লাইটেও মোটামুটী ভালোই ছবি তুলা সম্ভব।

প্রসেসর , জিপিইউ,র‍্যাম  ঃ আগেই বলেছি এই ফোনে Snapdragon 810 ব্যাবহার করা হয়ছে যা Galaxy Note 4 ও আইফোন ৬ এর চিপসেট থেকেও পাওয়ারফুল। এবং এটি ৬৪ বিট সাপোর্টেড । এর প্রসেসর হোল 2 Ghz Quad core Cortex a57 + 1.5 GHz quad core Cortex a53 । অর্থাৎ এটি অক্টাকোর প্রসেসর এবং একি সাথে ৮ টা কোর ই এক্টিভ থাকতে পারে ।এতে আছে Adreno 430 যা পুর্বের Adreno 330 থেকে ৮০% দ্রুতগতির । অর্থাৎ Galaxy S5,Xperia Z2,LG G3 থেকে এই ফোন অনেক বেশি পাওয়াফুল । এছাড়াও এতে ৬৪ বিট মেমরির ডুয়াল চ্যানেল LPDDR4 র‍্যাম রয়েছে যার Bus Speed 1600mhz । এর আগের সকল ফোনেই হাইএস্ট 900mhz(LPDDR3) এর র‍্যাম ব্যাবহার হত তাই বলা যেতেপারে এই ফোনেই সর্বপ্রথম LPDDR 4 র‍্যাম ব্যাবহার করা হয়েছে


স্টোরেজ  ঃ এই ফোনের ইন্টার্নাল স্টরেজ ৬৪ জিবি কিন্তু দুঃখের কথা হল এতে কোন মেমরি কার্ড স্লোট নেই ।তাই আপনাকে ৬৪ জিবি মেমরি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে । এই ফোন OTG সাপোর্টেড তাই আপনি চাইলে এক্সটার্নাল পেন্ড্রাইভ বা HDD ব্যাবহার করতে পারেন 


ডিসপ্লে  ঃ এই ফোনের ডিসপ্লে সাইজ 5.7 ইঞ্চি । এতে ২৫৬০পিক্সেল বাই ১৪৪০ পিক্সেল (2560px1440p) রেজুলিউশনের ডিসপ্লে ব্যাবহার করা হয়েছে । এর পিক্সেল ডেনসিটি 512 পি.পি.আই . তাই বুঝাই যাচ্ছে ডিসপ্লে অনেক সার্প । এর ডিসপ্লে ম্যাটেরিয়াল IPS LCD । Xiaomi'র আগের ফ্লাগশিপ গুলোর ডিসপ্লে অনেক ভালো তাই আশা করি এটিও সেইরকম ই হবে

দামঃ এটির দাম ইন্ডিয়ায় ৩২ হাজার টাকা রাখা হয়েছে বাংলাদেশে ৪৫-৫০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে।
অনেকের কাছে দাম একটু বেশি মনে হতে পারে কিন্তু বর্তমানের সবচেয়ে পাওয়ারফুল ফোনের দাম তো একটু বেশি হওয়াই স্বাভাবিক

এটি এখনো বাংলাদেশে আভেইলেবেল না । বাংলাদেশে সধারনত Gadget Gang 7 ও DX generation Xiaomi'র ফোন বিক্রয় করে . Dx generation এ অলরেডি Xiaomi MI Note পাওয়া যাচ্ছে আশা করি Note Pro ও আগামী ১-২ মাসের মদ্ধে বাংলদেশে পাওয়া যাবে

January 25, 2015

Symphony ZV এর সম্পর্কে কিছু কথা।

অবশেষে হাতে পেলাম symphony Explorer z5. অনেকেই হয়তো ভাবছেন এই নতুন ফোনটি সম্পর্কে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৯৯০ টাকা।কিন্তু ১৪৩৯০ টাকাতেই কোনো কোনো দোকানে মিলছে এই ফোন।আমি কিছুদিন আগে রাজশাহীর একটা দোকান থেকে ১৪৩৯০ টাকা দিয়ে কিনেছি এই ফোন। নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে আজ এর খারাপ এবং ভালো দিক গুলো আলোচনা করবো।

→ প্রথমেই এর ভালো দিক গুলো আলোচনা করবো।
১. এর সবচেয়ে বড় চমক রয়েছে ডিসপ্লে তে। এতে ব্যাবহার করা হয়েছে Dragontail glass protection এবং Back এ ব্যাবহার করা হয়েছে corning gorilla glass 3. Ips ডিসপ্লে হওয়ার কারনে আপনি পাবেন জীবন্ত ছবির অনুভূতি। নেগেটিভ ইফেক্ট মোটেই পাবেন না।

২. সিম্পনির এই ফোনটি তে ব্যাবহার করা হয়েছে মেটাল ফিনিশিং যার জন্য ডিভাইসটি অনেক ইউনিক মনে হবে।
অনেক স্মুথি একটা ফিল হবে। যারা গোলগাল সেট পছন্দ করেন না তাদের কাছে এটি অবশ্যই ভালো লাগবে। কিছুটা Sony Experia টাইপ ( দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আরকি)।
৩. র‍্যাম কম হওয়ার কারনে আমরা প্রায়ই খুব ঝামেলার মধ্যে পরি। কিন্তু Symphony Z5 এ দেওয়া হয়েছে ২ জিবি র‍্যাম এবং ১৬ জিবি রম যার প্রায় ১২ জিবি স্টোরেজ হিসেবে ব্যাবহার করা যায়।
৪. চায়না ডিভাইস গুলোর ক্যামেরা কিছুটা দুর্বল হয় এটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে রাতের বেলা ছবি তুলতে গেলে খুব বাজে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়, কিন্তু Symphony Z5 এর রাতের ছবি আমাকে মুগ্ধ করেছে। কোন অংশেই খারাপ বলা যাবে না। ফ্লাশ যথেষ্ট শক্তিশালী।
৫. ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে টেনশন থাকতে পারে অনেকের, তবে আমার কাছে খুব খারাপ মনে হয়নি।
বিঃদ্র : ফোন কেনার পর পরই অনেকে আর তর সইতে পারেন না। চালু করেই তুফান বইয়ে দেন। তাদের কে উদ্দেশ্য করে বলি "ভাই নতুন ফোন কেনার পর পুরো ১০০% চার্জ দেওয়ার পর ব্যাবহার করুন। আশা করি সার্ভিস অনেকটাই ভালো দিবে।
৫. ইউজার ইন্টারফেসটা খুব ভালো লেগেছে। অনেক গুছানো আর কালারফুল।
৬. টাচ রেসপন্স অনেক ভালো লেগেছে। অনেক স্মুথি। স্পিডও বেশ ভালো।
৭. সাধারণত চাইনিজ ডিভাইস গুলোতে নিম্নমানের এক্সেসরিজ ব্যাবহার করা হয় কিন্তু এই ডিভাইসটির এক্সেসরিজ গুলো অনেক উন্নত হয়েছে আগের থেকে। বিশেষ করে হেডফোন ও চার্জার।
→ এবার আসুন এর খারাপ দিকগুলো আলোচনা করি।
১. এই ডিভাইসটির সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে এর সিম এবং মেমোরি পোর্টে। যারা ঘনঘন সিম অথবা মেমোরি চেঞ্জ করেন তাদের খুব বিরক্ত লাগবে। আলাদা পিন ইউজ করে সিম,মেমোরি পোর্ট খুলতে হয় যা সবসময় নিয়ে ঘুরা সম্ভব নয়। তাছাড়া সিম,মেমোরি পোর্টটি পুরো আলাদা যেকোন সময় হারিয়েও যেতে পারে।
২. সেটটি তে নন রিমুভেবল ব্যাটারি ইউজ করা হয়েছে যার কারনে ব্যাটারি চেঞ্জ করার কোন সুযোগ নেই।
৩.যারা সেলফি লাভার তাদের কাছে মোটেও ভালো লাগবে না এই ডিভাইসটি। ফ্রন্টে যদিও 2 mp ক্যামেরা ব্যাবহার করা হয়েছে কিন্তু এর মান একটু খারাপ।
এই অসুবিধা গুলো ছাড়া আর কোন খারাপ দিক আমার নজরে আসেনি। মিডল রেঞ্জের ফোনগুলোর মধ্যে এই ডিভাইসটির খুব কাছাকাছি হচ্ছে Walton S3. যার দাম ১৬৮৮৯ টাকা। তবে সব দিক দিয়ে এগিয়ে আছে Symphony Z5. এটা একান্তই আমার নিজস্ব মতামত। কেউ আশা করি ভুল বুঝবেন না। সবাইকে শুভ রাত্রি। খোদা হাফিজ।

January 15, 2015

এবার বাজার কাঁপাতে এসেছে ২ জিবি RAM এর Xiaomi Redmi Note 4G,

শিরোনাম শুনেই সবাই বুঝতে পেরে গেছেন আমি কি বলতে চাইছি। হ্যা এবার বাজার শাসন করতে চলে এল  xiaomi redme note 4G.  যার দাম মাত্র ১৬০০০-১৭০০০ টাকা বাংলাদেশে।  এত কম দামে ২ জিবি র‍্যাম পাওয়া আসলেই সৌভাগ্যের  ব্যাপার।





আসুন দেখে নেই কি কি ফিচার রয়েছে ফোনটিতেঃ

★Network Technology:  GSM / LTE

★BODY Dimensions 154 x 78.7 x 9.5 mm (6.06 x 3.10 x 0.37 in)

★Display size:  5.5inch. IPS LCD capacitive touchscreen, 16M colors.

★Resolution: 720 x 1280 pixels (~267 ppi pixel density)

★ Multitouch: Yes (MIUI 5.0)

★ OS:Android OS, v4.2 (Jelly Bean)

★Chipset: Qualcomm MSM8928 Snapdragon 400 ( মারাত্মক)

★CPU:Quad-core 1.6 GHz Cortex-A7 ( পুরাই পাঙ্খা)

★GPU: Adreno 305( HD গেমস খেলে মজা পাবেন চরম)

★Memory card slot: microSD, up to 64 GB**

★ RAM & ROM: 2GB & 8GB****

★ CAMERA: Primary 13MP ( পিছনে).4128 x 3096 pixels, autofocus, LED flash. secondary 5MP(সামনে)★! ফিচার: Geo-tagging, touch focus, face/smile detection,
HDR.

★ VIDEO: 1080p@30fps(SUPPORTED)

★BROWSER: Html 5 (perfect)

★SENSORS:  Accelerometer, gyro, proximity, compass

★WLAN Wi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac, dual-band, Wi-Fi Direct,
hotspot

★Bluetooth: v4.0, A2DP, LE

★GPS: Yes, with A-GPS, GLONASS

★RADIO:  FM radio

★USB: microUSB v2.0, USB Host

 আমি নিশ্চিত ফোনটি আপনাদের অবশ্যই ভাল লাগবে। কারণ এত কম দামে এরকম ফোন পাওয়া আসলেই মুশকিল।  উল্লেখযোগ্য ফিচার গুলো উপরে উল্লেখ করলাম। এছাড়াও ফোনটির BATTERY:Li-Po 3100 mAh.Stand-by Up to 775 h (3G)। এবং TALKTIME  Up to 38 h (2G) / Up to 14 h (3G).
সুতরাং বুঝতেই পারছেন চার্জ হেব্বি থাকবে।  এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে JAVA এবং আরও অনেক কিছু।   তাই মিস করবেন না ফোনটা, মিস করলে পরে পস্তাবেন। ফোনটি  BLACK & WHITE দুটো কালারেই পাওয়া যাচ্ছে। RELEASED হয়েছে 2014 এর August মাসে। বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে ফোন টি।

 POSTED BY: সব চরিত্র কাল্পনিক( সৌভিক)★
 টেক প্রকাশ 
Techprokash প্রযুক্তির কথা বলে 

Advertisement

আমাদের লিখা সকল পোস্ট

NOTICE :

***we need author for this site,those who are interested plz mail us ahelpline7@gmail.com ***

টেক প্রকাশ