- প্রযুক্তির কথা বলে

Showing posts with label TT. Show all posts
Showing posts with label TT. Show all posts

March 03, 2017

Pendrive ফুল তারপরও Empty দেখাচ্ছে? সমাধান করে ফেলুন সহজেই

মাঝে মাঝে কিছু Software ও Hardware এর সমস্যার কারণে আমাদের কম্পিউটার Hard Drive Rocognize করতে ব্যর্থ হয়। তখন অনেক সময় USB drive full থাকলেও Empty দেখায় তখন বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই চিন্তিত হয়ে পড়ে ও ঘাবড়ে যায়। ঘাবড়ানোর কারণ নেই।  নীচের পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুন তাহলেই এই সমস্যার হাত থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন। চলুন কাজের কথায় যাওয়া যাক। এ সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি ২ টি।

পদ্ধতি ১:-

ধাপ ১ঃ  প্রথমেই আপনার USB Drive আবার কম্পিউটার এ লাগান এবং  ‘MY COMPUTER’ এ গিয়ে মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করুন এরপর “Manage” এ ক্লিক করুন।

ধাপ ২ঃ  এখন আপনি ‘computer management’ এর মধ্যে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে “Disk Management” অপশনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৩ঃ  এখন আপনি আপনার USB Drive খুঁজে বের করুন এবং এর ওপর Right click করুন এবং ‘Change Drive Letters and Paths’ অপশন সিলেক্ট করুন।

ধাপ ৪ঃ  এখন আপনাকে Drive Letter Or path choose করতে বলবে সেখান থেকে আপনার Drive letter Choose করুন এবং OK বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যস! কাজ শেষ। এখন আপনার USB DRIVE Remove করে আবার লাগান এবং চেক করুন যে যে ফাইল গুলো আপনার ড্রাইভে ছিল সেগুলো আছে কিনা। যদি ফাইল গুলো এরপরেও না Show করে তাহলে হতাশ হয়ে পোস্টদাতা কে গালাগালি দেয়ার দরকার নেই। কারণ পোস্ট দাতা বিকল্প ব্যবস্থাও রেখেছে আপনাদের জন্যে। নীচে বিকল্প পদ্ধতি স্ক্রীণশট সহ তুলে ধরা হল।

পদ্ধতি ২ঃ

ধাপ ১ঃ  প্রথমে ঝটপট ‘My Computer’ ওপেন করুন এবং “organize” এ ক্লিক করুন।

ধাপ ২ঃ  এখন “Organize” এ ক্লিক করার পর নীচে গিয়ে “Folder and search option.” এ ক্লিক করুন।

ধাপ ৩ঃ  এখন General Tab এর পাশে “view” Tab এ ক্লিক করুন।

ধাপ ৪ঃ এখন Advance Setting এর Box থেকে  “Hidden Files and Folders” অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং সেখানে থেকে Show hidden files,folders and drives এ ক্লিক করুন, তারপর Apply বাটনে ক্লিক করুন।এরপর Ok তে ক্লিক করুন।
এখন আপনার Pendrive টি ওপেন করে দেখুন file গুলো দেখতে পাবেন।

ধন্যবাদ।

টেকনোলজি সম্পর্কে আরো জানতে আমাদের ওয়েব সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।

-Showvik sarker
Post tag:
hide
Pendrive
pendrive hidden file
pc hidden file
how i unhidden hidden file
how i show hidden file of my PC

February 13, 2017

যেভাবে Google Maps ও Google থেকে আপনার Location Remove করবেন



এই পদ্ধতি টি খুবই সিম্পল একটি পদ্ধতি।কাজ টি করতে গেলে আপনাকে নিম্নলিখিত কিছু Step Follow করতে হবে। নীচের Step গুলো ভালভাবে Follow করুনঃ


STEP 1: প্রথমে চেক করে নিন যে আপনার Google Maps Apps টি Up to date আছে কিনা। আপডেট না থাকলে একদম লেটেস্ট ভার্সন টি প্লে স্টোর থেকে অবশ্যউ আপ টু ডেট করে নিন। এবার Google Maps টি Open করুন।

STEP 2: এখন Google Maps Open করে বাম দিকের সাইডবারে কিছুক্ষণ পরে Menu খুজে পাবেন। ওই খান থেকে Your Places অপশন খুজে বের করুন ও Places এ ক্লিক করুন। Your Places এ ক্লিক করলে এটি লোকেশন খুজে বের করবে যেই লোকেশন টি Google Maps দ্বারা Labbled করা আছে।  এখন Home এবং Work Location আপনার লোকেশন Places করবে যেটা  লিস্টের প্রথমে ছিল , অবশ্য যদি Place location আগে থেকে recognized হয়ে থাকে।

STEP 3: এখন সিম্পল টেকনিক ও App option ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই Labbled করা Place গুলো Delete করতে পারবেন যেগুলো তারপরে ওখানে আর থাকবে না।

STEP 4: আপনি আরও ইচ্ছে করলে  Google maps এর কিছু জায়গা বা লোকেশন বা ফাংশন রিমুভ করতে পারেন যে জায়গা গুলো আপনি ভিজিট করেছেন সেগুলো।  এটা করতে হলে আপনাকে Scroll করে নীচের দিকে যেতে হবে এবং saved এ ক্লিক করে দেখে নিন কোন কোন জায়গা গুলো ট্রাক হয়ে আছে বা আপনি এর আগে ভিজিট করেছেন এরপর Three Dot বাটন এ ক্লিক করুন এবং অপশন পছন্দ করে Star remove করুন।

Delete চাইবে Delete এ ক্লিক করুন।এবার দেখুন আপনার Location Remove হয়ে গেছে।

কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের Facebook গ্রুপ  Android Helpline(বাংলাদেশ) -এ জানাবেন।

ধন্যবাদ।


-সৌভিক সরকার 

Post tag:
map
google maps
how i remove my location from google maps

February 10, 2017

পিসির হার্ডডিস্ক পার্টিশন এবং ড্রাইভ লেটার চেঞ্জ করুন নতুন করে উইন্ডোজ দেয়া ছাড়াই!!

(Techprokash) আমরা সাধারানত  উইন্ডোজ দেয়ার সময় হার্ডডিস্ক পার্টিশন করে থাকি কিন্তু সেটা উইন্ডোজ না দিয়েও করা যায়, সেটা অনেকে হয়ত জানেনা। এটাই দেখি কিভাবে করতে হয়। এর সাথে কিভাবে ড্রাইভ লেটার  চেঞ্জ করা যায় সেটাও বোনাস হিসেবে দেখব।

একটা বিষয় এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে আপনি যদি আপনার কোন ফাইল আছে এমন ড্রাইভ কে ভেঙে  দুইটা করতে চান তবে সেটার ডাটা অন্য ড্রাইভে কপি করে রাখবেন নয়ত ডাটা ডিলিট হয়ে যাবে ।  আর  আন-আলোকোটেড স্পেস কে সহজেই ড্রাইভে রুপান্ত্রর করতে পারবেন।

কার্যপদ্ধতি : 

প্রথমে মাই My computer এ কার্সর রেখে Right button click করি। তারপর নিচের ধাপ অনুশরন করি।
Manage > Disk Management.




সেখানে ডান পাশে দেখব আমাদের ড্রাইভ গুলোর নাম, Unallocated Space এগুলো।

ড্রাইভ লেটার চেঞ্জঃ

ড্রাইভ লেটার চেঞ্জ এর জন্য যে ড্রাইভ এর লেটার চেঞ্জ করতে চাই সেই ড্রাইভের উপর কার্সর রেখে Right button ক্লিক করি। change drive letter and path এ ক্লিক করলে যে উইন্ডো আসবে সেখান থেকে change এ ক্লিক করে নিউ ড্রাইভ যেমন K, H, S ইত্যাদি সিলেক্ট করে ok প্রেস করি ব্যাস ড্রাইভ চেঞ্জ হয়ে গেল।




এক্ষেত্রে যে লেটার দিবেন সেটা আগে কোন ড্রাইভে থাকলে কিন্তু হবে না। অবশ্যই নতুন লেটার হতে হবে।

পার্টিশনঃ এখান থেকে আপনি চাইলে কোন ড্রাইভ ডিলেট অথাবা ফরম্যাট  দিতে পারবেন এবং Unallocated space থাকলে সেটা দিয়ে নিউ ড্রাইভ তৈরি করতে পারবেন। Unallocated space এর উপর মাউস রেখে Right button click করে Make a New volume এ ক্লিক করে নিউ ড্রাইভ তৈরি করতে পারবেন। এবং এবার my computer এ গিয়ে নিউ ড্রাইভটা কে একটা ফরম্যাট দিতে হবে। তারপর আপনি আপনার ডাটা এখানে রাখতে পারবেন।




এবার আসি কিভাবে আগের করা কোন ড্রাইভ পার্টিশন করবেন, যে ড্রাইভ কে পার্টিশন করতে চান তার উপর কার্সর রেখে right button ক্লিক করে সিলেক্ট করুন Shrink Volume। ক্লিক করার পর একটা উইন্ডো আসবে যেখানে কত সাইজ এর মধ্যে নিউ ড্রাইভ করতে পারবেন সেটা দেখাবে। সেখান থেকে আপনার ইচ্ছা মত সাইজ সিলেক্ট করে shrink বাটনে ক্লিক করলেই নিউ একটা ড্রাইভ হয়ে যাবে। এবার my computer গিয়ে নিউ ড্রাইভটা কে একটা ফরম্যাট দিতে হবে।

আজ এ পর্যন্তই। আশাকরি আপনারা বুঝতে পারবেন।

-মামুন আহমেদ।

পোস্ট ট্যাগ
Computer harddisk.
Hard disk partition
partition pc hard drive
devide hard drive

February 06, 2017

Facebook,WhatsApp - এর ডিলিট হওয়া সকল Message ফিরিয়ে আনুন আপনার Android ফোন দিয়ে

(Techprokash) আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে Facebook,WhatsApp - এর Delete হয়ে যাওয়া Message ফিরিয়ে আনা যায়! হয়তো অনেকেই জানেন, আবার অনেকেই জানেন না। যারা জানেন না বিশেষ করে তাদের জন্য এই পোষ্টটি।আগে অনেক পোষ্টে দেখেছেন কিভাবে  Facebook Message Recovery করা যায়,কিন্তু ঐ টিপস গুলো শুধু PC দিয়ে করা যায়। কিন্তু যাদের PC নেই তারা Android Phone দিয়েই Message গুলো ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

Note: [এই কাজটি করার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইলটি রুট থাকতে হবে]

Apps টি তে এ ছাড়া অারো অনেক সুবিধা পাবেন।

App Link: Download here

ডাউনলোড হয়ে গেলে ইনস্টল করে ওপেন করুন। তারপর যেটার Message ফিরিয়ে আনতে চান সেইটা সিলেক্ট করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আরো নতুন নতুন টেকনোলজি সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েব সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।

ধন্যবাদ।

-শেখ ওবায়দুল্লাহ 
Post tag:
Facebook
WhatsApp
Facebook message recover
WhatsApp message recover
How I recover Facebook message
How I recover WhatsApp message

January 10, 2017

ফোনের নোটিফিকেশন প্যানেল থেকেই ওপেন করুন পছন্দের অ্যাপস (রুট দরকার নেই)

  (টেক প্রকাশ) আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য একটি অসাধারণ অ্যাপস এর রিভিও নিয়ে হাজির হলাম। আজ যে অ্যাপসটি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, সেটি ব্যবহার করে আপনি আপনার Android ডিভাইসের পছন্দের অ্যাপস গুলো অনেক অল্প সময়ের মধ্যে চালু করতে পারবেন ।
অ্যাপসটির সব থেকে বড় সুবিধা হল (রুট+আনরুট) সব ইউজাররা অ্যাপসটি ইউজ করতে পারবেন।

তাহলে চলুন পরিচিত হই অ্যাপসটির সাথে।

অ্যাপসটির নাম, বার লান্সার (Bar Launcher)
লান্সার বলতে আমারা সাধারণত যেটা বুঝি, এটা আসলে সেরকম না । বার লান্সার ব্যবহার করে নোটিফিকেশন প্যানেলে পছন্দের অ্যাপস গুলো সেট করে রাখা যায় । আর আমরা জানি, ফোনের প্রায় অধিকাংশ অবস্থান থেকে নোটিফিকেশন প্যানেল ওপেন করা যায় । তাই অ্যাপসটি ব্যবহার করে পছন্দের এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপস গুলো সিলেক্ট করে রাখলে, অনেক দ্রুততার সাথে সিলেক্টেড অ্যাপস গুলো চালু করতে পারবেন । অ্যাপসটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে, আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে । প্লে স্টোরে Bar Launcher ফ্রিতে পাওয়া যাবে, এবং রেটিং 4.3 । অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুন।

এইখানে ক্লিক করুন (Bar Launcher)

অ্যাপসটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। ওপেন করে প্রথমেই উপরে ON/OFF বাটন থেকে ON করে নিন। এখন নোটিফিকেশন প্যানেলে অ্যাপস Add করতে হলে নিচের (+) চিহ্নে ক্লিক করে প্রিয় অ্যাপস গুলো সিলেক্ট করুন। তারপর দেখুন আপনার কাজ হয়ে গেছে।

নতুন নতুন টিপস এবং ট্রিকস জানতে চোখ রাখুন www.techprokash.com এ।

  -মামুন আহমদ

(পোষ্ট ট্যাগ)
Notification panel, Bar Launcher   


  


November 23, 2016

অ্যাপ ক্লোনিং করুন অতি সহজে(How to cloning app on android)



অ্যাপ ক্লোনিং করার সখ অনেকেরই থাকে ৷ আবার প্লে-স্টোরের অপ্রয়োজনীয় আপডেট এড়াতে বেছে নেন অ্যাপ ক্লোনিং ৷ চলুন শিখে নেওয়া যাক অ্যাপ ক্লোনিং :>
প্রথমে  এখান থেকে   cloning অ্যাপসটি ডাউনলোড ইনস্টল করে নিন ৷
রান করার পর আপনার ডিভাইসে ইনস্টলকৃত সকল অ্যাপস দেখতে পাবেন ৷
সেখান থেকে যে অ্যাপসটি ক্লোন করতে চান সেটাতে ট্যাপ করুন ৷
Name অপশনে গিয়ে নতুন অ্যাপসটির নাম লিখবেন(ইচ্ছেমতো) ৷
Cloning number থেকে কয়টি অ্যাপস তৈরি করতে চান তার সংখ্যা লিখবেন ৷
এবার টিক চিহ্নিত অংশে ট্যাপ করলে একটা ওয়ার্নিং আসবে ok নির্বাচন করবেন ,কিছু সময় পর দেখবেন ক্লোনড অ্যাপস ইনস্টলের বার্তা পাবেন ৷
এছাড়াও আপনি luncher icon অপশন থেকে অ্যাপসে কাস্টোমোলাইজড আইকন দিতে পারবেন ৷ আবার নিচের অপশনগুলো থেকে অ্যাপসের সেটিংস মোডিফাইড করতে পারবেন ৷
তো আর কী,শুরু করে দিন অ্যাপস ক্লোনিং ৷

-> আল-ইমরান

পোস্ট ট্যাগ: app cloning ,Developing android,clone


November 12, 2016

স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটার কন্ট্রোল করুন সহজেই

(টেকপ্রকাশ) স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটার কন্ট্রোল করুন সহজেই
প্রথমে বলে রাখা ভাল যে,  Google তাদের নিজস্ব একটা Application বের করেছে যার নাম Chrome remote Desktop. এই এপ্লিকেশন ব্যবহার করে আপনি যে কোন জায়গা থেকে যে কোন স্মার্টফোন দিয়ে আপনার PC Access করতে পারবেন খুব সহজেই।

যেসব ধাপ অনুসরণ করবেন তা নিম্নরুপঃ

১. প্রথমে প্লেস্টোর থেকে Chrome Remote Desktop এপ্লিকেশন টি ডাওনলোড করুন।এখন Apps টি Open করুন, এবার আপনি My computer এর ওপরে একটা Label দেখতে পাবেন আর নীচে খেয়াল করলে Google Account দেখতে পারবেন যেটা আপনার ডিভাইসে লগিন করেছেন।



২. এখন আপনার কম্পিউটার থেকে Google Chrome ওপেন করুন এবং এই chrome Remote Desktop Extention টি ডাওনলোড করুন। এরপর Extenstion আপনার Google chrome তে Add হয়ে যাবে এবং আপনি Apps গুলো প্রোগ্রামের মত আপনার Taskbar এ দেখতে পাবেন মানে Bottom screen এ দেখতে পাবেন।



৩. এখন Add এ ক্লিক করুন।  এখন আপনি সব Apps দেখতে পাবেন যেগুলো ইন্সটল করা আছে এবং সর্বশেষ আপনি chrome Remote Desktop icon দেখতে পাবেন সেই আইকনে Click করুন। ক্লিক করার পর Installation process শুরু হয়ে যাবে এবং রিমোট শেয়ারিং এর জন্যে একটি সফটওয়্যার অটোমেটিকালি আপনার পিসি তে ডাওনলোড হবে। সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন এবং Get started এ ক্লিক করে যে কোম জায়গা থেকে PC Access করুন।


৪. এখন Remote computer share এ একটি Pin সেট করুন। এরপর Enable The Feature. এখন আপনার মোবাইলের Apps টি তে যান এবং ডান দিকের উপরের কোনায় Refresh বাটনে ক্লিক করলে আপনি আপনার PC লিস্টে দেখতে পাবেন।


৫. PC নামের ওপরে ক্লিক করুন এবং আপনার PIN দিন এরপর দেখুন আপনি কম্পিউটার স্ক্রীণ Access করতে পারছেন।


৬. কাজ শেষ। যদি আপনি এটা পুরোপুরি করতে পারেন তাহলে আপনি পিসি তে যেকোন কিছু আপনার স্মার্টফোন দিয়ে করতে পারবেন।

৭. এখন ফোন থেকে  Chrome Remote Desktop App ওপেন করুন ও রিফ্রেশ করুন দেখবেন আপনার পিসির নাম দেখাচ্ছে।


৮. এখন পিসির নামের ওপর  ট্যাপ করে পিন দিন দেখবেন Access হয়ে গেছে।



- Showvik sarker


পোস্ট ট্যাগ :
Remote control
remote access computer
chrome




October 27, 2016

রুট ছাড়াই কাস্টোমাইজ করুন ফোনের নেভিগেশন বার

আমাদের অনেকেরই ধারণা ডিভাইস কাস্টোমাইজেশনের জন্য রুট মাস্ট ৷ কিন্তু,এমনও অনেক দৃষ্টিনন্দন কাস্টোমাইজেশন রয়েছে যেগুলো রুট বাদেই করা সম্ভব ৷ চলুন দেখে আসি রুট ছাড়াই নেভিগেশন বারে কীভাবে নিজের ছবি লাগানো যায় ৷ প্রথমেই বলে রাখি,অন স্ক্রীন টাসপ্যানেল সাধারনত অ্যান্ড্রয়েড ৫.০+ ভার্সনগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ৷

কাজের ধারা:
এখান থেকে  Navbar Apps Pro  অ্যাপসটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন ৷
এবার নিচের স্টেপগুলো ফলো করেন,
Go to setting ->Accessibility ->Navbar apps Pro ->Turn it to On ৷

এবার navbar apps রান করেন ৷ Navigation Bar widget ->show image on navigation bar->ইচ্ছেমতো ছবি দিয়ে মনের মতো সাজান আপনার নেভিগেশন বারকে ৷

[N.B: ফোনে পাওয়ারফুল ব্যাটারি সেভার থাকলে সেটির সেটিংসে গিয়ে Navbr app কে whitelist'এ রেখে দিবেন ৷ না হলে ফোর্স ক্লোজড হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ৷ ]

-Al Imran



Post Tag : 
Customize navigation bar
No Root 


October 06, 2016

এন্ড্রয়েডে ফ্রী টিভি দেখুন এন্টেনা দিয়ে


এখন আপনি এন্ড্রয়েড থেকেই টেরিস্টোরিয়াল  টিভি দেখতে পারেন ছোট একটা device এর  মাধ্যমে ।আমাদের অনেকেরই ক্রিকেট খেলা ,সংবাদ দেখার জন্য তেরেস্তরিয়াল টিভির উপর নির্ভর করতে হয় ..কিন্তু এমন হলো  বাসার বাইরে থাকার কারণে টিভি দেখতে পারছেন না তখই এধরনের ডিভাইস খুব দরকার পরে ...l

আশার কথা হলো এখন বাংলাদেশেও বেশ সাশ্রয়ী মূল্যে এধরনের ডিভাইস পাওয়া যাচ্ছে .
 device টির নাম হলো Ez Tv  ,এর রিসিভিং ফ্রিকোয়েন্সি হলো ৪৭০-৮৬২ MZH (uhf)
Device টির ওজন ৫ গ্রাম মাত্র  আর ডাইমেনশন 21x18x7 mm এর মত ..আর এতে রয়েছে ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধা ফলে আপনার পছন্দের অনুষ্ঠান রেকর্ড করে রাখতে পারবেন ..l

ডিভাইস টি চালাতে হলে যে  ধরনের ফোন দরকার : 

-Android 4.1 or avobe
-cortex A8 800mzh cpu
-512 Mr Rame or avove
-display resulation 124x600
-Must be an OTG supported device .


যেভাবে ব্যবহার করবেন :
প্রথমেই প্লেস্তরে Ez tv এর এপ্লিকেশন নামিয়ে নিবেন তারপর  ডিভাইস টি ফোন connect করে এপ্লিকেশন ওপেন করবেন > তারপর ফ্রিকোয়েন্সি সার্চ করে টিভি দেখতে পারবেন ..l

  এটি  বাংলাদেশের বড় ইলেকট্রনিক্স মার্কেট গুলোতে খোজ করে দেখতে পারেন .এছাড়াও Dream-bd.com এবং storebd.com প্রোডাক্টটি বিক্রি করছে ...আপনি ২২০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে প্রোডাক্ট টি পেতে পারেন ,বিভিন্ন অনলাইন সপ অথবা ইলেকট্রনিক্স দোকানে l

NB : ডিভাইস ক্রয়ের সময় অবস্যই চেক করে নিবেন আপনার ফোন এ এদেশের  টিভি চানেল চলছে কিনা ..আর অনলাইন প্রোডাক্ট না কেনাই ভালো আর কিনতে হলে সে  ক্ষেত্রে অবস্যই সতর্কতা অবলম্বন করুন l

# Jayed



October 02, 2016

Android ফোনকে যেভাবে scanner হিসাবে ব্যবহার করবেন

বইয়ের পাতা কিংবা নথিপত্রের ডিজিটাল অনুলিপি নিজের কাছে রাখার জন্য অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোন হতে পারে কার্যকরী এক মাধ্যম।আর এটি সম্ভব ছোট একটি apps দিয়ে l apps টির নাম  FineScanner - docs recognition ,পূর্বে apps টি শুধু iphone এ ব্যবহার কড়া গেলেও এখন android অপারেটিং সিস্টেম এই apps সমর্থন কররে l এবার  দেখা যাক apps টিতে কি কি সুবিধা রয়েছে

যে সুবিধা গুলো পাবেন :-

এবিবিওয়াইওয়াই ফাইন স্ক্যানার নামে যে অ্যাপটি আগে, শুধু আইফোন বা আইপ্যাডে পাওয়া যেত, এখন সেটি অ্যান্ড্রয়েডেও ব্যবহার
করা যাবে। ফলে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন স্ক্যানারের ভূমিকায় কাজ করবে।
•অ্যাপটিতে ফিল্টার, পটভূমি সংশোধন, ক্রপ করার সুবিধা আছে।
• এবং জেপিইজি বা পিডিএফ আকারে অনুলিপি সংরক্ষণের সুবিধা আছে।
সফটওয়্যার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এবিবিওয়াওয়াইয়ের ফাইন স্ক্যানার ডকস রিকগনিশন অ্যাপটি পাওয়া যাবে http://goo.gl/hx1fIo ঠিকানায়।



কিভাবে ব্যবহার করবেন :

অ্যাপটি ইনস্টল করার পর চালু করুন। পূর্ণ সংস্করণে যাওয়ার জন্য একটি অপশন আসবে, এড়িয়ে যান।
ফলে বিনা মূল্যে ব্যবহারের জন্য স্ক্যানিংয়ের পর্দা দেখাবে। তখন ক্যামেরা বোতামে চাপ দিয়ে প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান করে নিন। নিচের দিকে কোনো বিজ্ঞাপন থাকলে সেটাও এড়িয়ে যান। তাহলেই apps টি ফ্রি বেবহারের ফীচার উন্মুক্ত হবে l এখন শুরুতেই ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে ফাইল গুলো স্ক্যান করে নিন lঅটো ক্রপ অথবা ম্যানুয়ালি ক্রপ করে নিনl এরপর কালার ঠিক করে নিন আমার মতে grayscale অপসন টি এক্ষেত্রে বেটার   তারপর docs ,পিডিএফ অথবা আপনার পছন্দের ফরমেট এ save করুন l

যেসব সুবিধা পাবেন :-

•স্বয়ংক্রিয় ক্রপ সুবিধার মাধ্যমে বাড়তি বা অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেওয়া যাবে।

•স্ক্যানিংয়ের সময় নিচের দিকটা অন্ধকার থাকলে ফ্ল্যাশ বোতাম চেপে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা আছে।

•যতগুলো ফাইল স্ক্যান করা হয়েছে তার সংখ্যাবাচক লেখা স্ক্যান বোতামের পাশেই দেখাবে। এতে স্পর্শ করে স্ক্যানকৃত অনুলিপিগুলো কেমন হয়েছে তা দেখা যাবে,

• আবার বিন আইকনে চাপ দিয়ে কোনোটি মুছেও ফেলা যাবে। আর ফিল্টার বোতাম দিয়ে মূল ছবি, সাদা-কালো, গ্রেস্কেল বা রঙিন আবহে দেখা বা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও আছে।

•ক্রপ ও রোটেট সুবিধার মাধ্যমে অনুলিপিটি কাটছাঁট বা দিক পরিবর্তন করা যাবে।

•সবশেষে তিনটি ডট দেওয়া বোতামে চাপ দিয়ে সেটি কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করা, অতিরিক্ত পাতা সংযোজন, নাম পরিবর্তন বা এর বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যাবে।

Screen shot : 


লিখেছেন : M Hasan Miskat


September 26, 2016

কিভাবে ফেসবুকের নাম ইনভিসিবল করবেন

আজকের টিউন টি হল ফেসবুক নিয়ে।আজকে দেখাবো  কিভাবে ফেসবুকের আইডি নাম ইনভিসিবল করবেন অর্থাৎ নাম ছাড়া আইডি।তো কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি কাজের কথায় আসি


কার্যপদ্ধতি :
এর জন্য তেমন কিছুই না শুধু নাম আবার change করতে হবে।
এর জন্য প্রথমে account setting তারপর general এ  গিয়ে name change করুন নিচের নাম টি দিন।
1st name হিসাবে : ᏚᎷᎯᎬᏚᎷ
Last nameহিসাবে : ᎬᏚᎷᎯᎬᏚᎷᎯ

1st name এবং ,lastname হিসাবে  কোড ২ টি  লেখে Review change এ  ক্লিক করুন তারপর পাসওয়ার্ড দিয়ে save changes  এ ক্লিক করুন ব্যাস কাজ শেষ।  এবার ম্যাজিক দেখুন।
আর যারা কোড ২ টি দেখতে পাচ্ছেন না অথবা কপি হচ্ছে না তারা নিচের লিংক থেকে কোড ২ টি ডক্স আকারে নামিয়ে নিন,এবং docs ওপেন করে ওখান থেকে কপি করুন
 https://drive.google.com/file/d/0BxOwaaKz9VpgQmx0UmdROXhnaVE/view?usp=sharing


NB : এই টিপস apply করে নাম isvisible করলে সেটি সুধু মোবাইল ফোন invisible থাকবে কিন্তু পিসি সহ কিছু ডিভাইস এ নাম দেখা যাবে 

স্ক্রীনশট : 





লিখেছেন : Mujahid Hasan Miskat

September 24, 2016

Invalid Imei এর সমাধান/How to fix invalid imei on android

রুট ইউজারদের জন্য invalid imei একটি কমন সমস্যা ৷ ফোনে কাস্টম রম দিয়েছেন বা কোনো মডিউল ইনস্টল করেছেন ,তারপর থেকে ফোনে নেটওয়ার্ক পাচ্ছে না,এটি সাধারণত invalid imei এর জন্য হয় ৷ সমস্যাটি সমাধানের অনেকগুলো ওয়ে রয়েছে ৷ তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ ,দ্রূত এবং কার্যকরী পদ্ধতিটি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ৷ প্রথমে নিচের ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নেন ৷
(1)Imei maker
(2)Rom toolbox pro
এদের মধ্যে IMEI MAKER.ZIP এটাকে এক্সট্রাক্ট করেন ৷এবার নিচের স্টেপগুলো ফলো করেন  ->
Open IMEI MAKER FOLDER--->HOLD "SHIFT & RIGHT CLICK" ---->Click On "Open Command Window Here"--->Now In Command prompt (CMD)--->Enter the following text:
imei.exe <15digit_IMEI_1> <15digit_IMEI_2>
(eg: imei.exe 123456789111111 123456789111111)
<Imei কোডটি আপনি আপনার ফোনের ব্যাটারি কাভার/ফোন বক্সে পাবেন ৷>
এবার Enter প্রেস করেন ৷এখন আপনি এরকম একটা ফাইল দেখতে পারবেন "MP0B_001_NEW" ৷ এটাকে রিনেম করে
"_NEW" অংশটুকু ডিলেট করে দেন ৷ অর্থাৎ,তখন ফাইলটার নাম "MP0B_001" এরকম হবে ৷
এবার নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করেন--->
--->আপনার ফোনের SD card এ ফাইল টি কপি করুন।
--->এখন ROM toolbox lite সফটওয়্যারটি ওপেন করেন।এছাড়া Root explorer,X-plore এগুলো হলেও চলবে।
--->আপনার ফোনের Root এ ঢুকুন এবং এই ডিরেকশান ফলো করুন।
>>root>data/nvram/md/NVRAM/NVD_IMEI
-->NVD_IMEI ফোল্ডারে ঢুকলে MPOB_001 নামের একটি ফাইল দেখতে পাবেন। ডিলেট করে দিন।
--->কিছুক্ষণ আগে তৈরী করা ফাইল টি SD Card থেকে এখানে কপি করুন।
--->এবার কপি হওয়া ফাইল টি কিছু সময়ের জন্য চেপে ধরুন।দেখবেন Permission এসেছে,সিলেক্ট করুন ।তারপর প্রথম ছয়টি বক্স সিলেক্ট করে দিন। যদি আগ থেকেই সিলেক্ট করা থাকে তাহলে কিছু করার প্রয়োজন নেই।
ব্যাস কাজ শেষ।ফোন রিবুট দিন।এবার>Setting>About phone>Status এ গিয়ে দেখুন IMEI নাম্বার দেখাচ্ছে এবং Baseband আগের মত হয়ে যাবে

August 28, 2016

পিসিতেও ব্যবহার করুন ফ্রি ইন্টারনেট (browse free internet from your computer)

আমরা জানি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চালু হয়েছে জুকারবার্গের ফ্রি ইন্টারনেট internet.org। এটা মোবাইলে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু পিসিতে ব্যবহার করা যায় না। আজ আমি আপনাদেরকে শিখাবো কীভাবে পিসি দিয়েও এটা ব্যবহার করা যায়।

যা যা লাগবে:
১। একটি ইউ, এস, বি মোডেম অথবা (রবি সিম যুক্ত মোবাইল দিয়ে hotspot on করে ব্যবহার করা যাবে )
২। একটি রবি সিম।
৩। একটি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার।
কার্যপ্রণালী : 
*প্রথমে আপনার ব্রাউজারটি ওপেন করুন। তারপর ফায়ারফক্সের এড্রেসবারে লিখুন about:config
*তারপর ক্লিক করুন I promise.
*এবার উইন্ডোজের উপর মাউস রেখে রাইট বাটনে ক্লিক করুন New>string.
*Preference নাম দিন:   general.useragent.override
*তারপর ভ্যালু দিন:  Mozilla/5.0 (iPhone; U; CPU iPhone OS 3_0 like Mac OS X; en-us) AppleWebKit/528.18 (KHTML, like Gecko) Version/4.0 Mobile/7A341 Safari/528.16
 ব্যাস কাজ শেষ এবার আপনি internet.org তে গিয়ে তালিকাভুক্ত সব গুলো ওয়েবসাইট ফ্রি ব্রাউস করতে পারবেন ।
প্রধান সীমাবদ্ধতা ও সমাধান :
আবার ফায়ারফক্সকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে নিয়ে আসতে চাইলে about:config এ যান। সার্চ করুন general.useragent.override আর reset করে দিন। তবে বার বার এই ঝামেলা করার চেয়ে firefox এর পোর্টেবল কোনো ভার্সন কে customize করে রাখুন আর ব্যবহার করুন l  পোর্টেবল firefox ডাউনলোড লিংক : http://download.cnet.com/Mozilla-Firefox-Portable/3000-2356_4-10437430.html

যেসব সাইট ফ্রি ব্রাউজ করতে পারবেন:
১। ফেইসবুক
২। প্রথম আলো
৩। বিডি জবস্‌।
৪। বিডি নিউজ ২৪.কম।
৫। গার্ল ইফেক্ট
৬। সরকারী বিভিন্ন সেবা।
৭। আরও অনেক কিছু।
কোনো কিছু না বুঝলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে জানাতে পারেনl আমাদের  ফেইসবুক গ্রুপ  Link

(সংগৃহিত ও পরিমার্জিত )
Screenshot of free browsing:





August 27, 2016

ক্রেডিট কার্ড ছাড়া কিভাবে iTunes ব্যাবহার করবেন।

ভিসা / ক্রেডিট কার্ড ছাড়া আই ফোন চালানো অসম্ভব, কারন অ্যাপ,গান, মুভি সবই কেনা লাগে।  কিন্তু আই টিউন্স থেকে কিছু অ্যাপ ফ্রি ডাউনলোড করা যায়।  তবে এ ক্ষেত্রেও অ্যাপেল আই ডি তে পেমেন্ট মেথড অ্যাড করা লাগে।  এবার দেখুন কিভাবে এটা ছাড়াই আই টিউন্স চালু করবেন।

১। সেটিং থেকে আই টিউনস& অ্যাপ স্টোর এ যান।

২। অ্যাপল আই ডি তে টাপ করুন, তারপর View Apple ID  তে tap করুন।  সাইন ইন করা না থাকলে করুন। 



৩।এবার, পেমেন্ট অপশনে ট্যাপ করুন। 

৪। পেমেন্ট  ব্যবস্থা সরানোর জন্য, None অপশন সিলেক্ট করুন।


৫। এবার ডান ট্যাপ করুন। 
তাহলেই রিমুভ হয়ে যাবে ,আর আপনি নিশ্চিন্তে iTunes  চালাতে পারবেন ।

লিখেছেন -  Sabbir hasan munna 

August 23, 2016

কিভাবে Windows 10 এর Automatic Updates বন্ধ করবেন

Windows ১০ যারা ব্যবহার করেছেন বা করবেন তারা হয়ত জানেন যে windows 10 এ অটোমেটিক আপডেট Disable করা যায় না।তাই আপনি জানতেও পারবেন না যে আপনার লিমিটেড নেট কখন শেষ হয়ে যাবে, এই WINDOWS আপডেটর জন্য  


স্টেপ ১
টাইপ করুন সার্চ বার-এ View Local Services নিচের ছবির মতো press ENTER





স্টেপ  ২
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে, যার একদম নিচের দিকে পাবেন  windows Update, নিচ থেকে ১১ নম্বর। সিলেক্ট করুন
PRESS Enter




স্টেপ ৩ 
Service Status Running ===  Press STOP
PRESS Enter



Windows Update এই ভাবে বন্ধ হবে..



স্টেপ ৪
তীর মার্কা জায়গা তে গিয়া ডিসএবল করুন  Startup Type
Automatic to Disable
Apply And OK





স্টেপ ৫
এবার চেক করব Windows আপডেট অপসন..
টাইপ করুন সার্চ বার-এ Check For Update নিচের ছবির মতো press ENTER



স্টেপ ৬

Check Update সিলেক্ট করুন  লেখা আসবে Checking For Updates....
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে




তারপর কি হবে নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে
আর লেখা থাকবে There were some problems installing update মানে আপডেট বন্ধ,


আর একটি কথা Windows Update  আবার শুরু করতে হলে যা যা করেছেন তা চেঞ্জ করবেন আগের মতো তাহলে আপডেট আবার চালু হয়ে যাবে.
All VERSION ENTERPRISE, PRO, HOME,EDUCATION সবেতে কার্যকারী.
সতর্কবাণী
View Local Services এ windows update সিলেক্ট করবেন ঠিক করে না হলে উইন্ডোস আপডেটর জায়গাতে অন্য কোনো সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে। 
#Optimus

August 18, 2016

একদিনেই শিখুন Adobe Photoshop এর বেসিক কিছু কাজ।


এই পোস্টটি নন প্রফেশনালদের জন্য যারা বেক্তিগত কাজের জন্য ফটোশপ ব্যবহার দরকারি মনে করেন। আমি আপনাদের ফটোশপের কিছু বেসিক ধারণা ,Tool bar এর কআজ এবং শর্টকাট দিচ্ছি যা ব্যবহার করে আপনি অন্তত নিজের ছবি গুলো ভালোভাবে এডিটিং করতে পারবেন ।





ফটোশপ এর বিভিন্ন অংশ সমূহ

ফটোশপে কাজ করার সবিধার্থে এর বিভিন্ন ভার্সন এ নিয়মিত এর বিভিন্ন অংশসমূহ আরো বেশি ব্যাবহার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। ব্যাবহারকারীর সুবিধার্থে এসব অংশ সমূহ নির্দিষ্ট সজ্জাবিন্যাসে সাজানো হয়েছে।
টাইটেল বার :
এডোবি ফটোশপ স্ক্রিনের সর্বোপরে টাইটেল বার অবস্থিত, অর্থাৎ Adobe Photoshop কথাটির সাথে ডকুমেন্টের নাম যে বারে থাকে তাকে টাইটেল বার বলে। এর কাজ হচ্ছে ডকুমেন্টের নাম ধারণ করা।
মেনু বার:
টাইটেল বারের ঠিক নিচে File, Edit, Image, Layer, Select, Filter, View, Windows, Help এই ৯টির প্রত্যেকটিকে মেনু বলে আর এই মেনুগুলো একটি বারের উপর সন্নিবেশিত হয়ে আছে যাকে মেনু বার বলে। এই মেনুগুলোর প্রত্যেকটির অধিনে আবার অনেকগুলো করে সাব-মেনু আছে যেগুলোকে ব্যবহার করে ব্যাবহারকারী কাজকে প্রানবন্ত করতে পারবে।
টুলস বক্স:
টুলস বক্সটি ডিফল্ট অবস্থায় এডোবি ফটোশপ স্ক্রিনের বাম প্রান্তে উলম্ব ভাবে থাকে। রাজমিস্ত্রি যেমন কাজ করার সময় তার বিভিন্ন যন্ত্র-পাতি কুন্নি, ওয়্যাটারলেভেল, ঊষা, স্ক্র-গেজ, হ্যামার, শাবল ইত্যাদী ব্যবহার করে নিখুত করে বিল্ডিং তৈরী করে ব্যাবহারকারী ঠিক তেমন করে Move Tool, Rectangular Marquee Tool, Lasso Tool, Magic Wind Tool, Crop Tool ইত্যাদী ব্যবহার করে ডিজাইন করতে পারে।
জুম ইন্ডিকেটর:
চলমান ডকুমেন্ডে কত % জুম আছে তা এখান থেকে দেখা যায়। এর অবস্থান টুলস বারের নিচে এবং স্ট্যাটাস বারের বাম পাশে। এখানে ক্লিক করে নির্দিষ্ট % জুম টাইপ করে এন্টার করলে আপনার ডকুমেন্ডটি ঐ % এ জুম হয়ে যাবে। নিজের ইচ্ছেমত জুমকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য এটা একটা সহজ পদ্বতি।
স্ট্যাটাস বার:
চলমান ডকুমেন্টে কোন কাজ হচ্ছে, কোন টুল ব্যবহৃত হচ্ছে ইত্যাদী সম্পর্কিত তথ্য স্টেটাস বারের মাধ্যমে যানা যায়। এর অবস্থান ডকুমেন্টের একেবারে নিচে জুম ইন্ডিকেটরের ডান পাশে।
thumbnail|ফটোশপে কালার নির্বাচন করার জন্য ডায়ালগ বক্স
টাস্কবার:
ডেস্কটপের নিচের দিকে বাম থেকেপাশ থেকে ডানপাশ পর্যন্ত যে উলম্ব বারটি থাকে তা হলো টাস্কবার। যখন কোন কাজকে মিনিমাইজ করা হয় তখন কাজগুলো সব এই টাস্কবারে এসে জমা হয় এবং প্রয়োজনের সময় আবার এখানে ক্লিক করলে কাজটি ম্যাক্সিমাইজ হয়ে যায়।
প্যালেট:
ডিজাইনকে প্রানবন্ত এবং খুব সহজে করার জন্য প্যালেটের সাহায্য নিয়ে কাজ করতে হয়। ফটোশপ চালু করার সাথে সাথেই প্রয়োজনীয় সব প্যালেট আপনার উইন্ডোতে নাও থাকেতে পারে, সেক্ষেতে আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় প্যালেট নিয়ে আসার জন্য উইন্ডো মেনুতে গিয়ে উক্ত প্যালেটের নামে ক্লিক করলে প্যালেটটি চলে আসবে। প্যালেটগুলো Default অবস্থায় ডান পাশে অবস্থান করে, তবে আপনি এগুলোকে ড্রাগ করে এদিক সেদিক আপনার পছন্দমত স্থানে নিয়ে আসতে পারবেন।টুলবক্স পরিচিতি......

টুলবক্স পরিচিতি

ফটোশপ চালু করলে এর বামদিকে দেখতে পাবেন টুলবক্স। ফটোশপে ছবির কাজ করার সময় টুলবক্স অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। ফটোশপের বর্তমান সংস্করনে প্রায় ৩০ রকম টুল আছে। কার্যকারিতার সুবিধার্থে এদেরকে ৬ টি গ্রুপে ভাগ করা যায়। প্রতিটি টুলে আবার দু থেকে তিনটি করে সাব টুল আছে। টুলের উপর রাইট ক্লিক করলেই এগুলো পাওয়া যায়। 
Marquee Tool
Marquee Tool চার প্রকার - 
1. Rectangular Marquee Tool: এটি দিয়ে আপনি চার কোনা আকারে ছবি নির্বাচন করতে পারেন। সাধারনত ড্র্যাগ করে নির্বাচন করা যাবে। আর যদি আপনি শিফট ধরে ড্র্যাগ করেন তাহলে বর্গাকারে নির্বাচন হবে।
2. Elliptical Marquee Tool: এটি দিয়ে আপনি বৃত্তাকারে ছবিতে নির্বাচন করতে পারেন। নরমালি ড্র্যাগ করে নির্বাচন করা যাবে। আর যদি আপনি শিফট ধরে ড্র্যাগ করেন তাহলে বর্গাকারে নির্বাচন হবে।
3. Single Row Marquee Tool: এটি দিয়ে আপনি ছবিতে Row আকারে দাগ ভাবে নির্বাচন করতে পারবেন।
4. Single Column Marquee Tool: এটি দিয়ে আপনি ছবিতে Column আকারে দাগ ভাবে নির্বাচন করতে পারবেন।
Move Tool
এই টুলটির নাম Move Tool এটি দিয়ে আপনি আপনার ছবির কোন লেয়ারকে স্হানান্তর করাতে পারি। আপনি এখানে ক্লিক করলেই দুই বা ততোধিক লেয়ার থাকলে এ্যাকটিভ লেয়ারটি নির্বাচন হবে এবং আপনি ড্র্যাগ করে Move করাতে পারেন। 
Lasso Tool
ছবির বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন করতে এর জুড়ি নেই। Lasso Tool তিন প্রকার - 
1. Lasso Tool: এটিকে একটি পেন্সিল ভাবুন। পেনসিলের মত চাপ দিয়ে যতটুকু আঁকাবেন তারপর ছেড়ে দিলেই ঐ অংশটুকু নির্বাচন হবে।
2. Polygonal Lasso Tool: প্রথমে এক যায়গায় ক্লিক করে নিয়ে বিভিন্ন পয়েন্ট তৈরির মাধ্যমে ছবিতে বিভিন্ন জায়গা নির্বাচন করতে পারবেন।
3. Magnetic Lasso Tool: এটিতে তেমন কোন পরিশ্রম হবে না। শুধু ছবিতে যেখানে যেখানে যাবেন সেখানে এটি রং পার্থক্য দেখে নির্বাচন করে যাবে।
Magic Wand Tool
এটি দিয়ে আপনি যে কোন এক রং এর উপর ক্লিক করেই সে অংশটুকু নির্বাচন হয়ে যাবে। 
Crop Tool
এটি ব্যবহার করে আপনি ছবিকে যে কোন সাইজে Crop বা রিসাইজ করতে পারবেন। এটিতে ক্লিক করলে ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবারে নিচের মত আসবে। এখানে আপনি সাইজ দিয়ে ক্রপ করতে পারেন।

Healing Brush Tool
এতে কয়েকটি অংশ আছে - 
1. spot healing brush tool: এটি ফটোশপ সি সি এর খুবই কার্যকরী টুল৷ এর মাধ্যমে যে কোন দাগ অথবা অবাঞ্ছিত কিছু খুব সুন্দরভাবে মুছে ফেলা যায়৷
2. Healing Brush Tool: একস্থান থেকে কপি করে আরেকস্থানে আনার জন্য উপযুক্ত ব্রাশ। এই টুলটি সক্রিয় করে যেখান থেকে কপি করে আনবেন শুধুমাত্র কিবোর্ড থেকে Alt চাপ দিয়ে ক্লিক করুন। তাহলেই হবে। তারপর যেখানে ড্র্যাগ করবেন সেখানেই কপি হয়ে যাবে।
3. Patch Tools: এটা লেসো টুলের মতই তবে হয়ত একটু বিশেষত্ব আছে।
4. Color Replacement Tool: এক কালারের পরিবর্তে আরেক কালার দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার হয়। কালার প্যালেটে শুধুমাত্র কালার নির্বাচন করে ড্র্যাগ করুন।
5. Brush Tool: ফটোশপের সবচেয়ে কার্যকরী টুল হল এটি।
Stamp Tool
এখানে দুটি টুল আছে - 
1. Clone Stamp Tool: এটির ব্যবহার Healing Brugh Tool এর মতই। একস্থান থেকে কপি করে আরেকস্থানে আনার জন্য উপযুক্ত ব্রাশ। এই টুলটি সক্রিয় করে যেখান থেকে কপি করে আনবেন শুধুমাত্র কিবোর্ড থেকে Alt চাপ দিয়ে ক্লিক করুন। তাহলেই হবে। তারপর যেখানে ড্র্যাগ করবেন সেখানেই কপি হয়ে যাবে।
2. Pattern Stamp Tool: বিভিন্ন প্যাটার্ন দেওয়ার জন্য এটির ব্যবহার করা সহজ। এটি সক্রিয় করলে ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবার থেকে আপনি বিভিন্ন প্যাটার্ন পছন্দ করে ছবিতে প্রয়োগ করতে পারেন।
History Brush Tool
আপনার ছবির প্রাথমিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার করুন এই টুলটি। এখানে দুটো টুল পাবেন।
Eraser Tool
এটি দিয়ে মুছতে বা ডিলিট করতে হয়। এতে তিনটি টুল আছে - 
1. Eraser Tool: এটা নির্বাচন করে ড্র্যাগ করে আপনি অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছতে পারবেন।
2. Background Eraser Tool: এর মাধ্যমে আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারে থাকা কোন রং কে শুছে ফেলা যাবে।
3. Magic Eraser Tool: ব্যাকগ্রাউন্ড ইরেজার টুল আর এইটির কাজ একই শুধুমাত্র একটু প্রার্থক্য হল ব্যাকগ্রাউন্ড ইরেজার টুল দিয়ে ইরেজ করলে টুলটির আকারের স্থানের অংশটুকু ইরেজ হবে। আর এটি দিয়ে ইরেজ করলে যতটুকু এক কালার আছে তার সবটুকুই ইরেজ/ডিলিট হবে।
Gradient Tool
গ্র্যাডিয়েন্ট হলো বিভিন্ন কালারের সমন্বয়। এখানে দুইটি টুল আছে।
1. Gradient Tool: গ্রিডেন্ট টুল সক্রিয় করলে ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবারে গ্র্যাডিয়েন্ট অপশন দেখতে পাবেন। এখানে বিভিন্ন গ্রাডিয়েন্ট নির্বাচন, সাইজ ও বিভিন্ন পরিবর্তন করতে পারবেন।
2. Paint Bucket Tool: এই টুল দিয়ে বিভিন্ন রকম প্যাটার্ন দিতে পারেন। তবে এজন্য অবশ্যই Fill থেকে প্যাটার্ন নির্বাচন করুন।
Blur Tool
ছবি মসৃন করার জন্য এটির ব্যবহার হয়। এটি সক্রিয় করলে নিচের মত ষ্ট্যান্ডার্ড টুল বারে আসবে। এখান থেকে আপনি বিভিন্ন অপশন পরিবর্তন করতে পারেন।
Sharp Tool
ছবিকে সার্প করার জন্য এই টুলস ব্যবহার করা হয়।
Smudge Tool
এটা দিয়ে সহজেই ছবিতে কোন দাগ থাকলে তা মুছে দিতে পারেন। এজন্য এটি নির্বাচন করে দাগের সমপরিমাণ সাইজ করে ছবিতে ড্র্যাগ করুন।
Dodge Tool
অত্যন্ত কার্যকরী টুল। এখানে তিনটি সাব টুল আছে -
1. Dodge Tool: এই টুল দিয়ে ছবির ব্রাইটনেস বাড়ানো বা আলো দেওয়া যায়।
2. Burn Tool: এটার কাজ ঠিক Dodge Tool এর উল্টো। অর্থাৎ এটি দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো বা কালো করা হয়। যেমন, চুল কালো করা, চোখের মনি কালো করা, ভ্রু কালো করা ইত্যাদি।
3. Sponge Tool: ছবিতে Sponge দেওয়ার জন্য। এখানে দুটো অপশন আছে।
Path Selection Tool
এখানে দুটো সাব টুল আছে -
1. Path Selection Tool: ছবিতে কোন প্যাথ বা লেয়ার নির্বাচন করার জন্য।
2. Direct Selection Tool: পুরো লেয়ার নির্বাচন করার জন্য।
Pen Tool
ফটোশপের কার্যকরী একটি টুল। এতে ৫টি সাব টুল আছে -
1. Pen Tool: পেন টুলের সাহায্যে ছবিকে নির্বাচন করা যায়। লেসো টুল দিয়েও ছবি নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু লেসোটুলো ছবি নির্বাচন করার পর আনডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায় না। কিন্তু পেন টুলে সহজেই আপনি ধাপে ধাপে করতে পারেন। এতে ছবি নির্বাচন করা একটু কঠিন তবে এতে ছবির মান ভাল হয়।
2. Free Form Pen Tool: স্বাধীন ভাবে ছবি নির্বাচন করার জন্য।
3. Add Anchor Point Tool: প্যাথ অ্যাড করার জন্য এটির ব্যবহার। অবশ্য এটি আপনি কিবোর্ড থেকে Shift ধরেও করতে পারেন।
4. Delete Anchor Point Tool: প্যাথ রিমুভ করার জন্য এটির ব্যবহার। অবশ্য এটি আপনি কিবোর্ড থেকে Alt ধরেও করতে পারেন।
5. Convert Point Tool: আপনার আকানো সব প্যাথকে একটি প্যাথে কনভার্ট করার জন্য।
Notes Tools
ছবিতে কোন নোট বা কথা থাকলে তা সেভ করার জন্য এটিকে ব্যবহার করতে পারেন।
Audio Annotation Tool
ছবিতে রেকর্ড করা কথা যোগ করার জন্য এটির ব্যবহার। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার মাইক্রোফোন থাকতে হবে।
Hand Tool
ছবিকে স্হানান্তর করার জন্য এটির ব্যবহার।অ্যাডোবি ফটোশপে সহজে কাজ সারতে টুল প্যানেলের কোনো বিকল্প নেই।
***************************

Tools shortcut keyboard....

সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোর ফটোশপে এই প্যানেলের প্রতিটি টুলের জন্য কি- বোর্ডের একেকটি বোতাম শর্টকাট কি হিসেবে আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। টুলগুলোর ওপরে মাউসের কারসর আনলে নির্ধারিত শর্টকাট কি দেখাবে।
এখানে সেগুলোই দেওয়া হলো।
অনেকটা কাছাকাছি কাজের টুলগুলো সাধারণত
টুল প্যানেলে একসঙ্গে গ্রুপ করে দেওয়া থাকে। যেখানে একাধিক টুলের জন্য একই বোতাম প্রযোজ্য, সেসব ক্ষেত্রে Shift চেপে ধরে নির্দিষ্ট শর্টকাট কি চাপলে পরপর টুলগুলো নির্বাচিত অবস্থায় দেখাবে।
এখানে প্রতিটি গ্রুপের প্রথম টুলটির নামের সঙ্গে শর্টকাট কি দেওয়া হলো।
V = মুভ টুল M = মার্ক টুল L = ল্যাসো টুল W = ম্যাজিক ওয়ান্ড টুল C = ক্রপ টুল I = আই ড্রপার টুল J = স্পট হিলিং ব্রাশ টুল B = ব্রাশ টুল S = ক্লোন স্ট্যাম্প টুল Y = হিস্ট্রি ব্রাশ টুল E = ইরেজার টুল G = গ্র্যাডিয়েন্ট টুল O = ডজ টুল P = পেন টুল T = টাইপ টুল A = পাথ সিলেকশন টুল U = রেকটেঙ্গল টুল H = হ্যান্ড টুল R = রোটেট ভিউ টুল Z = জুম টুল

লিখেছেন ঃ ইমরান জাকির
 টেক প্রকাশ 
Techprokash প্রযুক্তির কথা বলে 

Advertisement

আমাদের লিখা সকল পোস্ট

NOTICE :

***we need author for this site,those who are interested plz mail us ahelpline7@gmail.com ***

টেক প্রকাশ